পোস্টগুলি

আব্বা এবং দাদা

ছবি
 মরহুম আব্বা এবং মরহুম দাদাকে আল্লাহপাক জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন,আমিন! আব্বা মরহুম আমিনুল ইসলাম লিচু,তিনানী ভেলুয়া,শ্রীবরদী,শেরপুর। তিনি  বিএডিসি (সেচ) জামালপুর শাখার এর একজন কর্মচারী ছিলেন।সদালাপী,মৃদূভাষী,বাগ্মী হিসেবে বি এ ডি সি ইমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের তৎকালীন ২৬০০০ কর্মচারীদের মধ্যে সুপরিচিত ব্যাক্তিত্ব ছিলেন।  গ্রামেও  সমাজকর্মী হিসেবে তাঁর সুখ্যাতি ছিল। বৃটিশ আমলের আঃ হক মাস্টার যিনি কলকাতা রিপন কলেজ থেকে আন্ডার গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন এবং এলাকার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। আঃ হক মাস্টার আব্বার দাদা ছিলেন। শাহজাহান মিয়া ছিলেন পাকিস্তানামলের টেক্সটাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। তিনি সম্পর্কে আব্বার চাচা এবং অত্যান্ত ঘনিষ্ট বন্ধু ছিলেন।সেই হিসেবে আমাদের  দাদা।  শাহজাহান দাদা টঙ্গী অলিম্পিয়া টেক্সটাইল মিলের ম্যানেজার ছিলেন।পরবরতীতে তিনি  সিনহা টেক্সটাইল মিল সহ  আরও কয়েকটি প্রাইভেট টেক্সটাইল মিলসের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে অবসরে আসেন। আমি শাহজাহান দাদার অধীন তিন বৎসর চাকুরী করেছি। অত্যান্ত অমায়িক মানুষ ছিলেন। আল্লাহপাক তাঁদেরকে বেহেশ...

খালিদুর রহমানের কবিতা

০১ জীবনের প্রতি পদে এক একটি কবিতার স্তবকের দেখা মেলে, ভুল কথা,ভুল কাজ,ভুল চিন্তা আর ভুল মানুষের কাছে শেখা এক একটি অভিজ্ঞতা নবজাতকের  মত বিস্ময়াভিভূত করে..... নির্বোধ বালকের মত বারংবার হোচট খেয়ে ছাল ছিড়ে যায় হাঁটুর, তবুও জাগ্রত হয়না বোধ, আর কতবার! আর কত বার ভুল করলে মানুষ হব! নাকি অযোগ্যের দায়ভার বয়েই হবে প্রস্থান? আমার মৃত্যুর পরে সব চলবে আগের মতই, অথচ কি এক মরিচিকার পেছনে ধাবমান শ্বাশ্বত কাল! পায়ের তলায় মাটি ছিলোনা যখন, সেদিনের জল ভরা চোখেও ছিল প্রশান্তির ছায়া! আকাঙ্খার নিবৃতি হবেনা জেনেও কৃষ্ণগহ্বরের দিকে ছুটে চলা! কেন? কিসের আশায়?.... একটি ভুলের তরে আদি পিতামাতার আগমন পাপ পঙ্কিল এ ধরায়, সর্বত্র তার জাল, সারাক্ষণ গ্রেফতার আতঙ্ক! বাহিরে ইবলীশ! ভেতরে নফস! আশ্রয় শুধু মালিকের কাছে! কিন্তু এই মূর্খের ডাক তাঁর কাছে কতটা গ্রহন যোগ্যতা রাখে? আমি মানুষ হতে ছুটে যেতে চাই তাঁর কাছে,যে দেবে আমারে শান্তনা স্রষ্টার সাথে যার অগাধ প্রেম আমি তাঁরে খুঁজি লোকালয়ে! সে কি গুহামানবের মত লোকচক্ষুর অন্তরালে? নাকি পাপচোখে তাঁরে চেনা দায়? ২৯/০৬/২০২৫ ০২ আজ বহুদিন বহ...

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী

 শুভ জন্মদিন জনাব বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম!  মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর ৭৮তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন এই বীর সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মুহাম্মদ আবদুল আলী সিদ্দিকী ও মা লতিফা সিদ্দিকী। পৈতৃক নিবাস টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ছাতিহাটী গ্রামে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইল তথা দেশকে স্বাধীন করার দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রায় ১৭ হাজার মুক্তিযোদ্ধা ও বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকের সমন্বয়ে কাদের সিদ্দিকী গঠন করেন একটি গেরিলা বাহিনী। কাদের সিদ্দিকী বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হওয়ায় বাহিনীটি ‘কাদেরীয়া বাহিনী’ নামে সুপরিচিত। কাদেরীয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা ১১ নম্বর সেক্টরে কমপক্ষে তিন শতাধিক ভয়াবহ সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রায় তিন হাজার হানাদার সদস্যকে হত্যা করেন। কাদের সিদ্দিকী নিজে ৩০টিরও বেশি সম্মুখযুদ্ধে সরাসরি নেতৃত্ব দেন। ফলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীসহ আলবদর, আলশামস, রাজাকারদের কাছে আতঙ্কের নাম ছিল কাদেরীয়া বাহিনী। ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর কাদেরীয়া বাহিনীর সহায়তায় কালিহাতী উপজেলার পৌলীতে ভারতীয় ছত্রীসেনারা অবতরণ ...

এবং আমি......

ছবি
 

এবং আমি.....

ছবি
 
 জরুরী সতর্কতা:  আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা  COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি। ১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো: i) কাশি নেই। ii) জ্বর নেই। বেশিরভাগ উপসর্গ হলো— iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা। iv) মাথাব্যথা। v) গলাব্যথা। vi) পিঠে ব্যথা। vii) নিউমোনিয়া। viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া। ২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি। ৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। ৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। ৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্য...

আমি এবং.....

ছবি
 

যোগিনীমুরা, শেরপুর

 যোগিনীমুরা, শেরপুর জেলার শেরপুর সদর উপজেলার একটি গ্রাম, যা ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।  শেরপুর জেলার ইতিহাসে যোগিনীমুরার স্থান শেরপুর জেলার ইতিহাস প্রাচীনকাল থেকে সমৃদ্ধ।  মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে এই এলাকা "দশকাহনিয়া বাজু" নামে পরিচিত ছিল।  পরে গাজী বংশের শেষ জমিদার শের আলী গাজীর নামানুসারে এই এলাকার নাম হয় শেরপুর  । যোগিনীমুরা গ্রামটি শেরপুর সদর উপজেলার অন্তর্গত।  এটি শেরপুর শহরের নিকটবর্তী একটি গ্রাম, যা ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।  যোগিনীমুরার নামকরণ ও ঐতিহ্য যোগিনীমুরা নামটি সম্ভবত "যোগিনী" (এক ধরনের সাধিকা) এবং "মুরা" (গ্রাম বা বসতি) শব্দের সংমিশ্রণ।  এটি ইঙ্গিত করে যে, অতীতে এই এলাকায় কোনো যোগিনী বা সাধিকার বসবাস ছিল, যা স্থানীয় লোককথা ও সংস্কৃতিতে প্রতিফলিত হয়েছে।  শেরপুর জেলার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট শেরপুর জেলা বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।  এখানে কোচ বিদ্রোহ, সন্ন্যাস বিদ্রোহ, ফকির বিদ্রোহ, পাগল বিদ্রোহ, তেভাগা আন্দোলন, কৃষক-প্রজা আন্দোলন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীন...

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী স্ত্রীর হক

  ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী-স্ত্রীর হক স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অঙ্গস্বরূপ। সুতরাং একে অপরের হকের প্রতি লক্ষ রাখবে, তাতেই দাম্পত্যজীবন সুখের হবে। পুরুষদেরকে মহিলাদের হক আদায় করতে হবে। মহিলা বলতে শুধু স্ত্রী নয়। স্ত্রীর হক তো আছেই, স্ত্রীর ওপর স্বামীর যেসব হক রয়েছে, তার চেয়ে বেশি হক রয়েছে স্বামীর ওপর স্ত্রীর। স্বামী আগে স্ত্রীর হক আদায় করবে, তারপর স্ত্রী স্বামীর হক আদায় করবে। অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, স্বামী স্ত্রীর হক আদায় করলেই স্ত্রী স্বামীর হক আদায় করে। এমনিভাবে পিতা-মাতার ওপরও মেয়েদের হক রয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী-স্ত্রীর হকগুলো জেনে নেই। ১. স্বামীর আনুগত্য : স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর কর্তব্য। তবে যে কোন আনুগত্যই নয়, বরং যেসব ক্ষেত্রে আনুগত্যের নিম্ন বর্ণিত তিন শর্ত বিদ্যমান থাকবে। (ক) ভাল ও সৎ কাজ এবং আল্লাহর বিধান বিরোধী নয় এমন সকল বিষয়ে স্বামীর আনুগত্য করা। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর অবাধ্যতায় কোন সৃষ্টির আনুগত্য বৈধ নয়। (খ) স্ত্রীর সাধ্য ও সামর্থ্যরে উপযোগী বিষয়ে স্বামীর আনুগত্য করা। কারণ আল্লাহ তাআলা মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অতিরিক্ত দায়িত্বারোপ করেন না। (গ) যে নির্দেশ কিংবা...

আদর্শ স্বামী

 একজন আদর্শ স্বামী হওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিচে উল্লেখ করা হলো: ১. সম্মান ও শ্রদ্ধা আপনার স্ত্রীর প্রতি সবসময় সম্মান ও শ্রদ্ধাশীল হন। তার মতামতকে গুরুত্ব দিন, তার সিদ্ধান্তকে সম্মান করুন এবং তাকে কখনও ছোট করবেন না। দাম্পত্য সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান। ২. সহযোগিতা সংসারের কাজে এবং সন্তান প্রতিপালনে স্ত্রীকে সহযোগিতা করুন। এটা শুধু স্ত্রীর দায়িত্ব নয়, বরং দুজনেরই সমান দায়িত্ব। এতে আপনার স্ত্রীর প্রতি আপনার ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ পাবে। ৩. বোঝাপড়া ও সহানুভূতি স্ত্রীর অনুভূতিগুলোকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং তার প্রতি সহানুভূতিশীল হন। তার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, কষ্ট, আনন্দ - সবকিছুর প্রতি আপনার সংবেদনশীলতা থাকা উচিত। যখন সে সমস্যায় থাকবে, তখন তার পাশে থাকুন। ৪. যোগাযোগ স্ত্রীর সাথে খোলামেলা যোগাযোগ বজায় রাখুন। আপনার দিনের ঘটনা, আপনার অনুভূতি, আপনার পরিকল্পনা - সবকিছু তার সাথে শেয়ার করুন। এতে আপনাদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাস গড়ে উঠবে। যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি হলে সরাসরি আলোচনা করে সমাধান করুন। ৫. বিশ্বাস ও আস্থা স্ত্রীর প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রাখুন। সন্দেহ ...

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ক্রমেই অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠছে এবং এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ উভয়ই বিশাল। এটি চিকিৎসা থেকে শুরু করে শিক্ষা, নিরাপত্তা থেকে বিনোদন, সব ক্ষেত্রেই ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতের সম্ভাবনা:  * স্বাস্থ্যসেবা: এআই চিকিৎসাসেবার ঘাটতি পূরণে সাহায্য করতে পারে, বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। রোগ নির্ণয়, ওষুধ আবিষ্কার, এবং ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা পদ্ধতিতে এআই বিপ্লব ঘটাতে পারে। ২০৫০ সালের মধ্যে স্মার্টওয়াচ এবং অন্যান্য এআই-নির্ভর ডিভাইস শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামিতি পর্যবেক্ষণ করে রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সহায়তা করবে। এমনকি, ক্যানসার শনাক্তকরণ এবং জিনোম বিশ্লেষণেও এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  * শিক্ষাক্ষেত্র: এআই-নির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মেটাবে এবং শেখাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। চ্যাটবট এবং অন্যান্য এআই টুল শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান করবে।  * কর্মক্ষেত্র: এআই অনেক রুটিন ও জটিল বিশ্লেষণনির্ভর কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে, যা কাজের পরিবেশ ও কাঠামোকে পুনর...

মৃত্যু

 “মৃত্যু নিয়ে ভাবনা” — এটি মানব জীবনের এক গভীর ও চিরন্তন প্রশ্ন। এই ভাবনা ধর্ম, দর্শন, সাহিত্য, এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বিভিন্নভাবে প্রকাশ পায়। নিচে কিছু দিক তুলে ধরা হলো, যা মৃত্যু নিয়ে ভাবনার ক্ষেত্রকে আরও গভীর করতে পারে: --- ১. মৃত্যু: জীবনের অপরিহার্য সত্য মৃত্যু হলো জীবনের সবচেয়ে নিশ্চিত সত্য — জন্মের সঙ্গে সঙ্গে সে অনিবার্য হয়ে ওঠে। তবুও, এটি আমাদের মানসপটে সবচেয়ে অস্পষ্ট ও অজানা এক বিষয়। এ নিয়ে ভাবা এক ধরনের আত্মজিজ্ঞাসা, আত্মোপলব্ধি। > "জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে?" — মাইকেল মধুসূদন দত্ত --- ২. ভয়, মায়া ও মুক্তি অনেকে মৃত্যুকে ভয় পান, কেউ বা ভাবেন এটি জীবনের ক্লান্তি শেষে মুক্তি। বিশেষত হিন্দু-বৌদ্ধ দর্শনে মৃত্যু হলো পুনর্জন্মের এক ধাপ, আবার নির্বাণেরও পথ। ভয়: অজানার প্রতি এক মানসিক প্রতিক্রিয়া। মায়া: আমরা যা ভালোবাসি তা ছাড়তে হবে — এটাই কষ্টকর। মুক্তি: যন্ত্রণামুক্তি, দায়িত্বমুক্তি, আত্মমুক্তি — কেউ কেউ মৃত্যুকে এরূপ দেখেন। --- ৩. দর্শনে মৃত্যু হিন্দু দর্শন: মৃত্যু আত্মার দেহান্তর; আত্মা অমর, দেহ নশ্বর। বৌদ্ধ দর্শন: মৃত্যু চক্রাকার জন্ম-মৃত্যু (সংসা...

রোবট

  ৫১৮ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার ফলে মানুষের জীবন,জীবিকা,সংস্কৃতি সবকিছুতেই ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।আজ থেকে মাত্র ৪০/৫০ বছর আগে আর বর্তমান সময় চিন্তা করে দেখুন কত তফাত সবকিছুতে।চলুন টাইম মেশিনে চরে আজ থেকে ৫০ বছর পরে ভবিষ্যতে যাই........ ঘুম থেকে ডেকে তুললো রোবট কেটু১।মিঃ খালিদ প্লিজ, ওয়েক।নাও ইট ইজ টাইম টু গো টু অফিস।ডন্ট স্লিপ এনি মোর।প্লিজ কাম অন ডিয়ার। চোখ কচলে ঘুম থেকে ওঠে বসলাম।পারসোনাল রোবট কেটু ১ নিজে থেকেই ডিজিটাল বেড এর এক কোনায় রাখা রিমোট চেপে আমাকে ওয়াশরুমে ঢুকিয়ে দিল ।ওঠে দাড়ানোর, বসার কোন প্রয়োজন নেই। অটোমেটিক মেশিনে হাইকমোড টয়লেটে  সেট হয়ে গেলাম।টয়লেট শেষ হলে শৌচ কর্ম হয়ে গেল।তারপর দাঁড়ালাম ব্রাশ করার জন্য।কেটু ওয়ান আমাকে ব্রাশ করিয়ে দিচ্ছে। আমি শুধু  মুখটাকে ব্রাশ করার উপযোগী করেছি। হাতমুখ ধোঁয়ার পর পুনরায় আমার বাহক রোবট কেটু ওয়ান আমাকে বেডরুমে  চালান করে দিয়ে পোষাক পরতে সাহায্য করলো। আপনাদের ব জানাচ্ছি যে আমি ব্যাচেলর লাইফ  করি।বিয়ে একটা করেছিলাম বটে।কিন্তু সে বিয়ে টিকেছিল মাত্র এক বছর।বনিবনা হয়নি।আমার চিন্তার সাথে ওর চিন্তার মিল হয়নি...

৫০০ বইয়ের তালিকা

  জীবনে যে ৫০০টি বই পড়া উচিত: তালিকা তৈরি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া বেশ কিছু শিক্ষার্থীরা। আপনি মিলিয়ে নিতে পারেন। --- ১. যদ্যপি আমার গুরু - আহমদ ছফা ২. বদলে যান এখনই - তারিক হক ৩. রাজনৈতিক আদর্শ - বার্ট্রান্ড রাসেল ৪. আর্ট অব ওয়ার - সান জু ৫. অন দ্য শর্টনেস অব লাইফ - সেনেকা ৬. বেগম মেরী বিশ্বাস - বিমল মিত্র ৭. কবি - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ৮. সুবর্ণলতা - আশাপূর্ণা দেবী ৯. নারী - হুমায়ুন আজাদ ১০. প্রদোষে প্রাকৃতজন - শওকত আলী ১১. দ্যা লস্ট সিম্বল - ড্যান ব্রাওন ১২. জননী - শওকত ওসমান ১৩. গোরা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৪. পথের দাবী - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৫. পাক সার জমিন সাদ বাদ - হুমায়ুন আজাদ ১৬. নারী - হুমায়ুন আজাদ ১৭. মা - ম্যাক্সিম গোর্কি ১৮. সংগঠন ও বাঙালি - আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ১৯. গাভী বিত্তান্ত - আহমদ ছফা ২০. দ্য অ্যালকেমিস্ট - পাওলো কোয়েলহো ২১. এইসব দিনরাত্রি - হুমায়ূন আহমেদ ২২. অসমাপ্ত আত্নজীবনী - শেখ মুজিবুর রহমান ২৩. আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর - আবুল মনসুর আহমদ ২৪. বাংলাদেশ রক্তের ঋণ - এন্থনি মাসকারেনহাস ২৫. ছোটদের রাজনীতি ও অর্থনীতি - অধ্...

হৃদয় বিদারক ঘটনা

  প্রত্যক্ষদর্ষী একজন বোনের স্বাক্ষ্য....... ০৯/০৫/২০২৪ সকালে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হল। খরমপুর আইডিয়াল স্কুলের  মোরে চায়ের দোকানের পাশে এক পাগলী মহিলা বাচ্চা প্রসব করে। সত্যিকার অর্থেই পাগল মহিলা। কিন্তু এই পাগল,দুর্গন্ধযুক্ত পোষাক পরিহিত মহিলাকে কোন এক বা একাধিক লম্পট,চরিত্রহীন পুরুষ প্রেগনেন্ট করে দিয়েছিল সে খবর আল্লাহই জানেন। বাচ্চা প্রসব করার পর পাগলী নিজেই নাড়ী টেনে ছিড়ে ফেলেছে। রাস্তার কুকুরেরা বাচ্চাটাকে  কামড়ে নিয়ে যেতে চাইলে চাদোকানী এগিয়ে গিয়ে বাচ্চাটাকে নিয়ে নেয়। মর্নিংওয়াকে ব্যাস্ত মাবোনেরা এগিয়ে এসে পাগলীকে সাহায্য করছিল।কিন্তু পাগলী হিংস্র হয়ে ওঠেছিল।জোর করে ধরে কোনরকমে কয়েকজনে মিলে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে আসে।তখনও এই পাগলী মায়ের ফুল ভেতরে যায়নি। হায়রে পুরুষ!  কি রুচিবোধ!এই শিশু বাচ্চাটাতো কোন দোষ করেনি।

জীবনের গল্প

  জীবনের গল্প" মোঃ খালিদুর রহমান ২১ শে মে'২০২৪ জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে ভুল করায় ২০০০ থেকে ২০১৫, সর্বমোট ১৫ টি বছর ধুলিস্যাত করেছি।বুঝিনি আমি কি করবো, আমার কি করা উচিৎ।কলকারখানা,এন জি ও,কিন্ডারগার্টেন, কোচিংএ  শিক্ষকতা, সিঙ্গাপুরে ১ টি বছর,!  ১ টি বছর নেটওয়ার্ক মার্কেটিং  একেবারে হযবরল অবস্থা। অশান্তি, অস্থিতিশীলতা, পরিবার- সমাজে  তুচ্ছতাচ্ছিল্য! সবই ভাগ্যে জুটেছে। আল্লাহপাক টিকিয়ে রেখেছেন কোনমতে। সর্বশেষ সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে সিদ্ধান্ত  নিলাম প্রয়োজনে প্রাইভেট পড়িয়ে খাবো, কিন্তু বিদেশ গিয়ে আর কামলা দেবনা। ২০১৩ তে সিঙ্গাপুর স্কিল ট্রেনিং এবং ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন একই সাথে পাশের ফল বেরোয়।আমার তখন বিদেশ যাবার ইচ্ছেটা মরে গেলেও পরিবারের সবার চাপে বিদেশ যেতে বাধ্য হই।অতঃপর  যা হবার তাই হল।২০১৪ এর পুরোসময় জুরে সিংগাপুর থেকে ১৫ তে দেশে আসি। সেপ্টেম্বর,২০১৫ তে যোগিনীমুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করি। নিবন্ধন সামাজিক বিজ্ঞানে হলেও আমার পাঠদানের বিষয় ইংরেজী। শিক্ষকতা পেশায় নিয়মিতভাবে  আজ ৯ বছর চলমান। এর আগে প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়মিতভাবে ...

শেরপুরের নামকরনের ইতিহাস

  শেরপুর নামকরণের ইতিহাস মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে এই এলাকা "দশকাহনিয়া বাজু" নামে পরিচিত ছিলো। সেই  আমলে এই এলাকায় যাতায়াত করতে ব্রহ্মপুত্র নদের খেয়া পাড়ি দিতে হতো। খেয়া পারাপারের জন্য দশ কাহন/কড়ি নির্ধারিত ছিলো বলে এ এলাকা দশকাহনিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে বলে জানা যায়। ভারতের ধর্মীয় গ্রন্থ সহ বিভিন্ন গ্রন্থে জাদুবিদ্যার পরাকাষ্ঠা যে ‘কামরূপ’  ( কামরূপ/কামাখ্যা/কলতাই) রাজ্যের বর্ণনা পাওয়া যায়, সেই ‘কামরূপ’ রাজ্যের অধীনস্ত একটি বাজু ( প্রশাসনিক এলাকা/ প্রদেশ ) ছিলো এই  দশকাহনিয়া'। দশকাহনিয়া' বাজুর রাজধানী ছিলো ‘গড়জরিপা’৷ এই ‘কামরূপ’ রাজ্যের পতনের পর বিভিন্ন ছোট ছোট রাজ্য, কখনও স্বাধীন, কখনও শামন্ত রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়৷ এসব শামন্ত রাজ্যের একটি বাজু (প্রশাসনিক এলাকা/প্রদেশ/অঙ্গরাজ্য ) ‘দশকাহনিয়া’৷ এই ‘দশকাহনিয়া’ বাজুরও রাজধানী ‘গড়জরিপা’, যা বর্তমানে একটি গ্রাম (স্থাপনা – বারো দুয়ারি মসজিদ, কালিদহ সাগর এবং ...)৷ এই দশকাহনিয়া বাজু এক সময় ঈশা খাঁর দখলে আসে এবং বংশ পরম্পরায় শাসন করেন। পরবর্তীতে সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ভাওয়ালের গাজী, ঈসা খানের বংশধর থেকে...

কেয়ামতের আগে

 কেয়ামতের আগে মানুষের মধ্যে যে ৫৬ ধরনের নমুনা  আচার আচরনে প্রকাশ পাবে ।। হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সা. বলেছেন, 'কিয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম ওঠিয়ে নেয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে, হারজ বৃদ্ধি পাবে। (হারজ অর্থ খুনখারাবী) তোমাদের সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে।'  (বুখারি, হাদিস ৯৭৯) এ ছাড়াও কিয়ামতের আগে মানুষের মধ্যে যে ৫৬ আচরণের প্রকাশ ঘটবে।  ১. নামাজের প্রতি মানুষের গুরুত্ব থাকবে না। ২. আমানতের খেয়ানত করবে।  ৩. সুদের লেনদের করবে। ৪. মিথ্যা কথা বলাকে হালাল মনে করবে। ৫. সামান্য বিষয়ে অন্যের প্রাণ সংহার করবে।  ৬. উচু উচু ভবন নির্মাণ করবে।  ৭. আত্মিয়তার সর্ম্পক ছিন্ন করবে।  ৮. ইনসাফ উঠে যাবে।  ৯. জুলুম অত্যাচার ব্যাপক আকার ধারণ করবে।  ১০. তালাক বেড়ে যাবে।  ১১. আকস্মিক মৃত্যু বেড়ে যাবে। ১২. সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য মনে করা হবে।  ১৩. দুর্নীতি পরায়ন মানুষদের সেবক মনে করা হবে। ১৪. অপবাদ আরোপের পরিমাণ বেড়ে যাবে।  ১৫. লোকেরা সন্তান নেয়া বন্ধ কর...

পুঁথিকাব্য

  সাগরদীঘির উপকথা নিয়ে পুথি কাব্য ৫৫৮ খালিদুর রহমান ০২.১১.২০২৪ শুনেন শুনেন দেশবাসী শুনেন দিয়া মন সাগরদিঘীর কাহিনীখান করিব বর্ণন টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার পূর্বপ্রান্তে ভাই সাগরদিঘীর ইতিহাসটা আমি বলে যাই, লেখাজোখা নাইতো কোথাও লোকমুখে শোনা সত্যমিথ্যা জানিনাতো বিশ্বাসে নাই মানা, আজি হতে সাতশ বছর আগের দিনের কথা পালবংশের সাগর রাজা ভাঙলো নিরবতা, পাহাড় অঞ্চল,বনজঙ্গল এলাকাটা ভালো পরিবেশটা পছন্দসই রাজ্য হবে আলো সেই থেকে গাড়লো ঘাঁটি গড়লো রাজ্য তার শিকারেতে গিয়ে দেখে কমলা সুন্দরীর হার, রুপের ঝলক নাকের নোলক সেন বংশের মেয়ে পাগল হয়ে প্রস্তাব পাঠায় করবে তারে বিয়ে, অবশেষে বিয়ে হল সুখের সংসার চাঁদের কনা লক্ষী সোনা গায়েরও রং তার, বংশের প্রদীপ ছেলে হল বয়স এক বছর সেই সময়ে খড়া এলো পুড়ে সব ছাড়খাড় চারিদিকে শোনা গেলো সবার হাহাকার, জীবন বিপন্ন হয়ে যায় কিছু করা দরকার, সেইসব দিনে পানির অভাব ছিল মারাত্মক, মেঘ গেলো  গলা ফাটায় পাখি যে চাতক , নেইকো ফসল কেনাবেচা আকাল যে দারুন প্রজাসকল সাগর রাজায় মিনতি করুণ অনেক ভেবে সিদ্ধান্ত নেয় করবে দিঘী খনন হাজার শ্রমিক ৩ টি বছর দেয় যে শ...

কোমর ব্যাথার হোমিও চিকিৎসা

  কোমর ব্যথার দ্রুত কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা কোমর ব্যথার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি মাত্রই কোমরের ব্যথার সাথে কম-বেশি সবাই পরিচিত। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই সাধারন সনাতন চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে কোমর ব্যথার উপশম করা হয়। আজকের লেখাটি সেই সমস্ত রোগীদের সাহায্যার্থে যারা বার বার বিভিন্ন প্রকার চিকিৎসা নেয়ার পরও কোমর ব্যথার হাত থেকে পুরোপুরি নিষ্কৃতি পাচ্ছেন না। কোমর ব্যথার লক্ষণ সমূহ কোমরে নানা ধরনের ব্যথা (যেগুলো প্রধানত পেটের অসুখ থেকে সৃষ্ট), মেরুদন্ডে ব্যথা, সেক্রোইলিয়াক হাড়ের ব্যথা যখন শুরু হয়, ব্যথা মেরুদন্ডের হাড়ের ভেতর দিয়ে মাথা পর্যন্ত ছড়িয়ে পরে এবং নাকের ডগায় চলে আসে। মাঝে মাঝে ব্যথা পেটের অঙ্গ সমূহে ছড়িয়ে পরে। নড়াচড়ার সময় ব্যথা বাড়ে। কিন্তু বিশ্রামের সময় অথবা রাতে ব্যথা আরো তীব্রতর হতে পারে। সাদা স্রাব চিকিৎসা পরবর্তী ব্যথা- বিষাক্ত পদার্থের দ্বারা চিকিৎসার ফলে মহিলাদের পুনরায় শ্বেতপ্রদর বা সাদা স্রাব দেখা দেয়ায় (সাদা স্রাবের চিকিৎসা করা হয় ক্ষার জাতীয় পদার্থ / কষ্টিক দ্বারা এবং অন্যান্য পদ্ধতিতে) কোমরের হাড়ে প্রায়ই ব্যথার সৃষ্ট...